08/03/2018

মেয়ের রুমে ওহ আহ শব্দ শুনে বাবা যখন মেয়ের রুমে গেল, তখন ঘটল ভয়ঙ্কর কাণ্ড

বাবা-মেয়ের সম্পর্কটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র আর শক্তিশালী পারিবারিক বন্ধন বলে বিবেচনা করা হয়। প্রত্যেক বাবার কাছেই নিজের মেয়ে হচ্ছে রাজকুমারী।

কেননা একজন বাবা তার মেয়ের জন্যে সবকিছুকে তুচ্ছজ্ঞান করতে রাজি। কিন্তু সেই রাজকুমারীর হাতেই যদি স্নেহশীল বাবার মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে, তাহলে পারিবারিক সম্পর্কের প্রতি মানুষের আস্থা ক্রমেই নড়বড়ে হয়ে যায়।

এমনই একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের বস্তী জেলার নইডা আট্টাতে। ছেলেবন্ধুকে সাথে নিয়ে নিজের বাবা বিশ্বনাথ সাহুকে মেরে ফেলেছেন তারই মেয়ে।

গতকাল রবিবার বিশ্বনাথ সাহুকে খুব খারাপ অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ সোমবার ভদ্রলোক মারা যাবার পর তাঁর স্ত্রী নিজের মেয়ে ও তার ছেলে বন্ধুর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার জবানবন্দিতে তিনি জানান, ভোর ৪টার দিকে তাঁর স্বামী নিজের মেয়ের রুম থেকে আজব শব্দ শুনতে পান, তারপর তার রুমে যান। রুমে গিয়ে তিনি মেয়ের বয়ফ্রেন্ড ধর্মেন্দ্র ও তার মেয়েকে সেখানে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান।

মেয়েকে এই অবস্থায় দেখে প্রতিবাদ করার কারণে ধর্মেন্দ্র ও নিজের মেয়ে মিলে বাবা বিশ্বনাথকে মারতে শুরু করেন। দুজনে মিলে তাকে মারতে মারতে তিন তলার ছাদ থেকে নীচে ফেলে দেন। পাশের বাড়ির লোকজনের সহযোগিতায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি।

 

 

 

 

বাবা-মেয়ের সম্পর্কটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র আর শক্তিশালী পারিবারিক বন্ধন বলে বিবেচনা করা হয়। প্রত্যেক বাবার কাছেই নিজের মেয়ে হচ্ছে রাজকুমারী।

কেননা একজন বাবা তার মেয়ের জন্যে সবকিছুকে তুচ্ছজ্ঞান করতে রাজি। কিন্তু সেই রাজকুমারীর হাতেই যদি স্নেহশীল বাবার মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে, তাহলে পারিবারিক সম্পর্কের প্রতি মানুষের আস্থা ক্রমেই নড়বড়ে হয়ে যায়।

এমনই একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের বস্তী জেলার নইডা আট্টাতে। ছেলেবন্ধুকে সাথে নিয়ে নিজের বাবা বিশ্বনাথ সাহুকে মেরে ফেলেছেন তারই মেয়ে।

গতকাল রবিবার বিশ্বনাথ সাহুকে খুব খারাপ অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ সোমবার ভদ্রলোক মারা যাবার পর তাঁর স্ত্রী নিজের মেয়ে ও তার ছেলে বন্ধুর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার জবানবন্দিতে তিনি জানান, ভোর ৪টার দিকে তাঁর স্বামী নিজের মেয়ের রুম থেকে আজব শব্দ শুনতে পান, তারপর তার রুমে যান। রুমে গিয়ে তিনি মেয়ের বয়ফ্রেন্ড ধর্মেন্দ্র ও তার মেয়েকে সেখানে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান।

মেয়েকে এই অবস্থায় দেখে প্রতিবাদ করার কারণে ধর্মেন্দ্র ও নিজের মেয়ে মিলে বাবা বিশ্বনাথকে মারতে শুরু করেন। দুজনে মিলে তাকে মারতে মারতে তিন তলার ছাদ থেকে নীচে ফেলে দেন। পাশের বাড়ির লোকজনের সহযোগিতায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook

Instagram

You Tube

"At the end of Love there is Pure Love"

Pure Love © 2020 | Privacy Policy